বান্দরবান: ৩ দিন & ২ রাত

Bangladesh

বান্দরবান: ৩ দিন & ২ রাত

৳ 5900 per person

প্রাকৃতিক রূপবৈচিত্রে পরিপূর্ণ পাহাড়ি কন্যার নাম বান্দরবান। হাতে মেঘ ছুঁয়ে দেখা কিংবা পাহাড়ি সৌন্দর্যে বুঁদ হতে চাইলে পরিবার পরিজন কিংবা বন্ধুবান্ধব নিয়ে ঘুরে আসতে পারেন প্রকৃতির এই অনন্য নিঃস্বর্গ থেকে।

বান্দরবান জেলার নামকরণ নিয়ে একটি কিংবদন্তি রয়েছে। এলাকার বাসিন্দাদের প্রচলিত রূপ কথায়  আছে অত্র এলাকায়  একসময় বাস করত অসংখ্য বানর । আর এই বানরগুলো  শহরের প্রবেশ মুখে  ছড়ার  পাড়ে পাহাড়ে প্রতিনিয়ত লবণ  খেতে আসত। এক সময় অনবরত বৃষ্টির কারণে ছড়ার পানি বৃ্দ্ধি পাওয়ায় বানরের দল ছড়া পাড় হয়ে পাহাড়ে যেতে না পারায়  একে অপরকে ধরে ধরে সারিবদ্ধভাবে ছড়া পাড় হয়। বানরের ছড়া পারাপারের এই দৃশ্য দেখতে পায় এই জনপদের মানুষ।  এই সময় থেকে এই জায়গাটির পরিচিতি লাভ করে “ম্যাঅকছি ছড়া ” হিসাবে । অর্থ্যাৎ মার্মা ভাষায় ম্যাঅক অর্থ  বানর  আর ছিঃ অর্থ বাঁধ । কালের প্রবাহে বাংলা ভাষাভাষির সাধারণ উচ্চারণে এই এলাকার নাম রুপ লাভ করে বান্দরবান হিসাবে ।  বর্তমানে সরকারি দলিল পত্রে বান্দরবান হিসাবে এই জেলার নাম স্থায়ী রুপ লাভ করেছে। তবে মার্মা ভাষায় বান্দরবানের নাম “রদ ক্যওচি ম্রো”।

  • Destination
  • Departure
    Dhaka. Bangladesh
1
১ম দিনঃ
সকাল বেলা বান্দরবান সদর নেমে হোটেলে গিয়ে চেক, তারপর রিফ্রেশ ও কয়েক মিনিটের জন্য বিশ্রাম।রেস্তোরা থেকে নাশতা করে, প্রথম দিনের পরিকল্পনা অনুযায়ী নিলাচল, মেঘলা টুরিস্ট কেন্দ্র এবং গোল্ডেন মন্দির (বুদ্ধ ধাতু জাদি) পরিদর্শন করা।রাতে হোটেলে রাত্রিযাপন।
2
২য় দিনঃ
ব্রেকফাস্ট করার পর দ্বিতীয় দিনের পরিকল্পনা অনুযায়ী নীলগিরি পরিদর্শন করতে যাওয়া।নীলগিরি বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু পর্বতমালাগুলোর একটি এবং সুন্দর পর্যটন কেন্দ্র। শীতকালে এখানে একটি দর্শনীয় দৃশ্যাবলী তৈরি করে, পুরো স্থান মেঘের কম্বল দিয়ে আবৃত থাকে।তারপর চিম্বুক পাহাড় ও আসার পথে শৈলপ্রপাত ঝর্ণা পরিদশন। হোটেলে রাত্রিযাপন।
3
৩য় দিনঃ
সকালে ঘুম থেকে উঠে, ব্রেকফাস্ট রেস্তোরা তে করে প্রান্তিক লেক ভ্রমণ। বান্দরবান জেলার প্রান্তিক লেক খুব সুন্দর পর্যটন কেন্দ্র। এই হ্রদ অনেক ধরনের গাছপালা দ্বারা পরিবেষ্টিত।এই আশ্চর্যজনক স্থান অবশ্যই পর্যটন মনের আকর্ষণ ।এই এলাকার আয়তন ২৯ একর।দুপুরের আহারের পর বান্দরবান শহর পরিদর্শন করা এবং উপজাতীয় বাজারে ব্যক্তিগত কেনাকাটা করা। হোটেলে ডিনার করে অবশেষে ঢাকায় ফিরে আসবে।
0.0
Accomodation0%
Destination0%
Meals0%
Overall0%
Satisfaction0%
Transport0%
Value For Money0%

POST A REVIEW

প্যাকেজে যা যা অন্তর্ভুক্ত

  • ঢাকা- বান্দরবান – ঢাকা (নন এসি বাস)।
  • চাঁদের গাড়ীতে করে স্পটগুলো ভ্রমণ,স্পটগুলোর প্রবেশ ফ্রি।
  • সকালের নাশতা-দুপুরের খাবার-রাতের খাবার।

প্যাকেজে যা যা অন্তর্ভুক্ত নয়

  • কোন ব্যক্তিগত খরচ।
  • কোন ঔষধ।
  • কোন ধরণের বীমা।
  • লঞ্চের ভিতরে হালকা ও রাতের খাবার।
  • ব্যক্তিগত খরচ যেমন লন্ড্রি, টেলিফোন কল, মিনারেল ওয়াটার।

ভ্রমণে যে যে স্পটগুলো অন্তর্ভুক্ত

  • নিলাচল
  • মেঘলা
  • বুদ্ধ স্বর্ণ মন্দির
  • প্রান্তিক লেক
  • চিম্বুক পাহাড়
  • নীলগিরি
  • শৈলপ্রপাত ঝর্ণা
  • হুমায়ুন আহমেদ জাদুঘর
  • উপজাতিদের জীবনধারা
  • উপজাতি রেস্তোরার খাবার

খাবার

সকালে পরোটা, ডিম, ডাল ও চা। প্রথম দিন দুপুরে চিকেন রোস্ট, ডাল, সালাদ। দ্বিতীয় দিন দুপুরে চিকেন বিরিয়ানী। প্রথম দিন রাতে গ্রিলড চিকেন, পরটা ও সফট ড্রিংস। দ্বিতীয় দিন রাতে চিকেন ঝাল ফ্রাই, ডাল ও সালাদ অথবা উপজাতি রেস্তোরার খাবার যদি কেউ খেতে চায়।

থাকার ব্যবস্থা

ডিলাক্স হোটেল(ডাবল/ টুইন বেড), বান্দরবান সদর

প্রযোজ্য বিষয়সমূহ

  • প্রথমেই একটি ভ্রমণ পিপাসু মন থাকতে হবে।
  • ভ্রমণকালীন যে কোন সমস্যা নিজেরা আলোচনা করে সমাধান করতে হবে।
  • ভ্রমণ সুন্দর মত পরিচালনা করার জন্য সবাই আমাদেরকে সর্বাত্মক সহায়তা করতে হবে।
  • অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে যে কোন সময় সিদ্ধান্ত বদলাতে পারে ।
  • যে কোন শর্তাবলী প্রযোজ্য ।

যা যা নিয়ে আসবেন

রেইনকোট/ছাতা, হাঁটার স্লিপার জুতা, সূর্য থেকে সুরক্ষার জন্য হ্যাট / ক্যাপ, সান -বাম লোশন, রোদ চশমা, ক্যামেরা , জরুরী ঔষধ,পতঙ্গনাশক ক্রীম, পানির বোতল, গামছা ইত্যাদি। পুরো দ্বীপেই সীমিত সময়ের জন্য সোলার প্যানেল অথবা জেনারেটর ব্যবহার করে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। কাজেই বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বুঝে-শুনে ব্যবহার করাই ভালো।

Prices

  • ইকোনমি প্যাকেজ: (৮-১০)জন – ৫৯০০ টাকা জনপ্রতি।

নিবন্ধন

শুক্রবার ছাড়া যে কোন দিন অফিস সময়ে নিবন্ধন করতে পারবেন । আগ্রহীরা সরাসরি অফিসে এসে বুকিং কনফার্ম করতে পারবেন।

সতর্কতা

খাবারের অবশিষ্ট বা উচ্ছিষ্ট অংশ, চিপসের প্যাকেট, সিগারেটের ফিল্টার, পানির বোতলসহ অন্যান্য আবর্জনা পার্কের ভিতরে ট্যুর বা ভ্রমণ স্থানে অথবা যেখানে সেখানে না ফেলে নিদিষ্ট স্থানে বা ব্যাকপ্যাকে করে সাথে নিয়ে আসুন। মনে রাখবেন, প্রকৃতির এই সৌন্দর্যকে টিকিয়ে রাখার দায়িত্ব আমাদেরই।