নিঝুম দ্বীপ: ২ দিন & ৩ রাত

Bangladesh

নিঝুম দ্বীপ: ২ দিন & ৩ রাত

৳ 4599 per person

নিঝুম দ্বীপ, নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার দক্ষিণ-পশ্চিমে বঙ্গপসাগরের বুক চিরে জেগে ওঠা ছোট্ট একটি ভূ-খণ্ড। বল্লার চর, কামলার চর, চর ওসমান ও চর মুরি এই চারটি প্রধান দ্বীপ ও বেশ কয়েকটি ছোট চরের সমন্বয়ে নিঝুম দ্বীপ, যার আয়তন প্রায় ১৪,০৫০ একর

বঙ্গোপসাগরের কোলে মেঘনার শাখা নদী, অসংখ্য শ্বাসমূলে ভরা কেওড়া বন ও বালুচরবেষ্টিত সমুদ্র সৈকতের নিশ্চুপ ছোট্ট সবুজ ভূখণ্ড নিঝুম দ্বীপ। এটি নোয়াখালী জেলার হাতিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমে বঙ্গোপসাগরের বুক চিরে জেগে ওঠা ছোট্ট একটি ভূ-খণ্ড। এখানে হাজার পাখির কিচিরমিচির কলতান ঘুম ভাঙ্গায়,চিকচিক মরিচিকা হাতছানি দেয় বালুচরে তার মাঝে দাঁড়ানো সারি সারি খেজুর গাছ,মায়াবী হরিনের পদচারনায় মুখরিত হয় ইন্দ্রিয়,মাইলের পর মাইল সারি সারি কেওড়া গাছের বুক চিরে বয়ে চলে ছোট নদী,সমুদ্রের বুকে হেলে পড়ে অস্তগামী রক্তিম সূর্য,সমুদ্রকোল হতে সরু খাল সবুজের বুক চিরে চলে গেছে গহীন বনে।

  • Destination
  • Departure
    Dhaka. Bangladesh
1
ভ্রমণ শুরু:
ঢাকার সদরঘাট থেকে বিকাল ৫:০০ টায় এম ভি ফারহান – ৩/৪, এবং সন্ধ্যা ৬:০০- ৬:৩০ মিনিট এম. ভি. তাসরিফ - ১ ও ২ নামে যেকোন একটি লঞ্চ এ।হাতিয়ার তমুরদ্দী ঘাটে পৌঁছাবে পরদিন সকাল ৮-৯ টায়। ঢাকায় ফেরত যাবার লঞ্চ ফারহান ছাড়ে দুপুর ১২:৩০ টায় এবং তাসরিফ ছাড়ে দুপুর ১:৩০ টায় হাতিয়ার তমুরদ্দী ঘাট থেকে।থাকার ব্যবস্থা: নিঝুম রিসোর্ট (অবকাশ হোটেল), হোটেল শাহিন এবং হোটেল সোহেল, নিঝুম ড্রিম ল্যান্ড রিসোর্ট, জেলা পরিষদ ডাক বাংলো, হোটেল দ্বীপ সম্পদ যেকোন একটিতে, নামার বাজার।
2
ভ্রমণ পরিকল্পনা:
রাতের লঞ্চ এ করে ইনশাআল্লাহ্ নিঝুম দ্বীপের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করা এবং হাতিয়ার তমুরদ্দী ঘাটে পৌঁছবে পরদিন সকাল ৮-৯ টায়। নামতে হবে হাতিয়ার এই তমুরদ্দী ঘাটেই। ভ্রমণ প্যাকেজে যা যা অন্তর্ভুক্ত থাকবেঃ -রাতের লঞ্চে নিঝুম দ্বীপের উদ্দেশ্যে যাত্রা(এম ভি ফারহান – ৩/৪,এম. ভি. তাসরিফ - ১ ও ২ ) -লঞ্চের কেবিনে থাকা (সিঙ্গেল অথবা ডাবল বেড)। -লঞ্চে ডিনার ঢাকা ফেরত আসার সময়। -তমুরদ্দী ঘাট থেকে নিঝুম দ্বীপ নামার বাজার বাইকে যাতায়াত। -সকালের নাস্তা লোকাল রেস্তোরায় -নিঝুম দ্বীপ ঘুরে দেখা -কমলার দ্বীপ,চৌধুরী খাল ও কবিরাজের চর,চোয়াখালি ও চোয়াখালি সী-বিচ,নামার বাজার সী-বিচ, -রাতে হোটেলে বা ডাক বাংলোতে থাকা -নিঝুম দ্বীপ - ঢাকা লঞ্চের কেবিনে করে ফেরা
0.0
Accomodation0%
Destination0%
Meals0%
Overall0%
Satisfaction0%
Transport0%
Value For Money0%

POST A REVIEW

প্যাকেজে যা যা অন্তর্ভুক্ত

  • রাতের লঞ্চে নিঝুম দ্বীপের উদ্দেশ্যে যাত্রা(এম ভি ফারহান – ৩/৪,এম. ভি. তাসরিফ - ১ ও ২ )।
  • লঞ্চের কেবিনে থাকা (সিঙ্গেল অথবা ডাবল বেড)।
  • লঞ্চে ডিনার ঢাকা ফেরত আসার সময়।
  • তমুরদ্দী ঘাট থেকে নিঝুম দ্বীপ নামার বাজার বাইকে যাতায়াত।
  • সকালের নাস্তা লোকাল রেস্তোরায়।
  • নিঝুম দ্বীপ ঘুরে দেখা।
  • কমলার দ্বীপ,চৌধুরী খাল ও কবিরাজের চর,চোয়াখালি ও চোয়াখালি সী-বিচ,নামার বাজার সী-বিচ।
  • রাতে হোটেলে বা ডাক বাংলোতে থাকা।
  • নিঝুম দ্বীপ - ঢাকা লঞ্চের কেবিনে করে ফেরা।

প্যাকেজে যা যা অন্তর্ভুক্ত নয়

  • কোন ব্যক্তিগত খরচ।
  • কোন ঔষধ।
  • কোন ধরণের বীমা।
  • লঞ্চের ভিতরে হালকা ও রাতের খাবার।
  • ব্যক্তিগত খরচ যেমন লন্ড্রি, টেলিফোন কল, মিনারেল ওয়াটার।

প্রযোজ্য বিষয়সমূহ

  • প্রথমেই একটি ভ্রমণ পিপাসু মন থাকতে হবে।
  • যেহেতু নিঝুম দ্বীপ এর থাকা,খাওয়া ও যাতায়াতের সেবা খুবই সীমাবদ্ধ, বিষয়টা মাথায় নিয়ে ভ্রমণ করতে হবে।
  • ভ্রমণকালীন যে কোন সমস্যা নিজেরা আলোচনা করে সমাধান করতে হবে।
  • ভ্রমণ সুন্দর মত পরিচালনা করার জন্য সবাই আমাদেরকে সর্বাত্মক সহায়তা করতে হবে।
  • অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে যে কোন সময় সিদ্ধান্ত বদলাতে পারে ।
  • ভ্রমণ এর জন্য কমপক্ষে ২-৬ জন হতে হবে।
  • যে কোন শর্তাবলী প্রযোজ্য ।

যা যা নিয়ে আসবেন

রেইনকোট/ছাতা, হাঁটার স্লিপার জুতা, সূর্য থেকে সুরক্ষার জন্য হ্যাট / ক্যাপ, সান -বাম লোশন, রোদ চশমা, ক্যামেরা , জরুরী ঔষধ,পতঙ্গনাশক ক্রীম, পানির বোতল, গামছা ইত্যাদি। পুরো দ্বীপেই সীমিত সময়ের জন্য সোলার প্যানেল অথবা জেনারেটর ব্যবহার করে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। কাজেই বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বুঝে-শুনে ব্যবহার করাই ভালো।

Prices

  • ফ্যামিলি প্যাকেজ:  (০২-০৬)জন - ৫৪৯৯ টাকা জনপ্রতি ।
  • ইকোনমি প্যাকেজ: (০২-১৫)জন – ৪৫৯৯ টাকা জনপ্রতি।

নিবন্ধন

শুক্রবার ছাড়া যে কোন দিন অফিস সময়ে নিবন্ধন করতে পারবেন নূন্যতম ৭-১০ দিন আগে কনফাম করতে হবে।

সতর্কতা

খাবারের অবশিষ্ট বা উচ্ছিষ্ট অংশ, চিপসের প্যাকেট, সিগারেটের ফিল্টার, পানির বোতলসহ অন্যান্য আবর্জনা পার্কের ভিতরে ট্যুর বা ভ্রমণ স্থানে অথবা যেখানে সেখানে না ফেলে নিদিষ্ট স্থানে বা ব্যাকপ্যাকে করে সাথে নিয়ে আসুন। মনে রাখবেন, প্রকৃতির এই সৌন্দর্যকে টিকিয়ে রাখার দায়িত্ব আমাদেরই।